সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে নিবন্ধনপ্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া যাত্রাদলগুলোর অংশগ্রহণে ১ ডিসেম্বর শুরু হয়েছিল বিজয়ের মাসজুড়ে যাত্রাপালা প্রদর্শনী। রাষ্ট্রীয় শোক পালন উপলক্ষে বিঘ্নিত হওয়া উৎসবের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হলো ২১ থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত।
গত ২১ জানুয়ারি বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে মাগুরার মোহাম্মদপুরের ‘উর্মি অপেরা’ মঞ্চায়ন করল যাত্রাপালা ‘প্রেমের সমাধি তীরে’। পালাকার নির্মল মুখোপাধ্যায় এবং পরিচালনায় শামীম খন্দকার। ২২ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে একই মঞ্চে দিনাজপুরের বিরামপুরের ‘তিষা অপেরা’ মঞ্চায়ন করল যাত্রাপালা ‘ডাইনী বধূ’ এবং ২৩ জানুয়ারি আয়োজন করা হবে সমাপনী অনুষ্ঠান, ওই দিন মঞ্চস্থ করল ‘জেনারেল ওসমানী’।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
বেলা ২টায় যাত্রাশিল্পীদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা করল নগর পরিভ্রমণ। এতে বিভিন্ন দলের যাত্রাশিল্পীরা তাঁদের অভিনীত নানা চরিত্রের পোশাক পরে সংলাপ উচ্চারণ করল, ছিল যন্ত্রীদলের বাদ্য-গীত। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে শুরু করে দোয়েল চত্বর-শাহবাগ হয়ে আবারও শিল্পকলায় এসে শেষ হবে এই নগর পরিভ্রমণ। সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি রেপার্টরি যাত্রা ইউনিট প্রদর্শন করবে যাত্রাপালা ‘জেনারেল ওসমানী’। যাত্রাপালাটির পালাকার এম এ মজিদ এবং পরিচালনায় তানভীর নাহিদ খান।
মাসব্যাপী এই যাত্রাপালা প্রদর্শনীতে নিবন্ধিত ৩৬টি যাত্রাদল ৩৬টি যাত্রাপালা এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি রেপার্টরি যাত্রাদলের ১টিসহ ৩৭টি যাত্রাপালা মঞ্চায়ন হচ্ছে। প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ সংশ্লিষ্ট যাত্রাদলকে দেওয়া হবে।

